দিন বদলের সাথে সাথে মানুষের চরিত্রেরও পরিবর্তন হয়। মানুষ মিথ্যা পরিহার করে সত্যকে গ্রহণ করে নেয়। ব্যতিক্রম আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস, হত্যা, খুন ও প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার যে রাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ৬৫ বছরেও সে চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়নি। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদী চরিত্র একেক সময় একেকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগী-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে মৃত লাশের উপর নেচে নেচে উল্লাস প্রকাশ করার পৈশাচিক দৃশ্য বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছে। ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যার নিদারুন দৃশ্য দেশবাসী ভুলে যায়নি। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে প্রতিনিয়ত হত্যা, খুন, গুম করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
২৪ ডিসেম্বর বকশীবাজার এলাকায় আওয়ামী চরিত্রের নিষ্ঠুরতা আরেকবার দেখার সুযোগ হয়েছে দেশবাসীর। প্রকাশ্য দিবালোকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে যেভাবে মানুষকে আহত, ক্ষতবিক্ষত করেছে তা দেশবাসীকে ২৮ অক্টোবরের নৃশংসতার কথাই আবার স্মরণ করিয়ে দেয়।
সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আওয়ামী লীগের রক্তের সাথে মিশে আছে। আওয়ামী লীগ ক্যান্সারের মত এক ভয়ানক ব্যাধি। এর হাত থেকে দেশ এবং জাতিকে উদ্ধার পেতে হলে এই ঘাতক ব্যাধির দ্রুত প্রতিকার করতে হবে। ‘আন্দোলন’ নামক উপযুক্ত প্রতিশেধকের মাধ্যমেই এ মরণ ব্যাধির যথার্থ চিকিৎসা সম্ভব।