দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় শিবিরের ‘অপরাধ সাম্রাজ্য’ চলছে ২৮ বছর ধরে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর শাখা।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সভাপতি নুরুল আমিন ও সেক্রেটারী সালাউদ্দিন মাহমুদ বলেন একটি বিশেষ দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে আবারো ছাত্র শিবিরকে জড়িয়ে জঘন্য মিথ্যাচার করেছে কালের কন্ঠ। প্রতিবেদনে কোন সঠিক তথ্য প্রমাণ ছাড়াই কাল্পনিক ভাবে ’চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্ররা শিবিরের কাছে জিম্মি, শিবিরের অস্ত্র উদ্ধার, শিবির চাঁদাবাজি করে এমন জঘন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে। অথচ ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে নির্দিষ্ট করে এমন একজন কলেজের ছাত্র-ছাত্রী বা ভোক্তভূগীর বক্তব্য নেই প্রতিবেদনে। কলেজ অধ্যক্ষও এ মিথ্যাচারকে সমর্থন করেননি। প্রতিবেদকের অভিযোগ এ অস্ত্র উদ্ধার নাটকের সাথে শিবির জড়িত আছে পুলিশও তা নির্দিষ্ট করে বলেনি। প্রতিবেদক সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকে দিতে জেলে থাকা তথাকথিত সন্ত্রাসীদের শিবির বলে চালিয়ে দেয়ার পায়তারা করেছে। এমন নিকৃষ্ট,নির্লজ্জ মিথ্যাচারে এটাই প্রতীয়মান হয় প্রতিবেদক পেশাগত দায়িত্ব নয় বরং ছাত্রলীগের অবস্থান থেকে এই কুৎসা রটনা করেছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন,দীর্ঘ ৩যুগ ধরে বাংলাদেশের ইতিহাসে চট্টগ্রাম কলেজ রাজনৈতিক কিংবা অন্য কোন ১ দিনের জন্য বন্ধ ছিল না। এ কারণে রাজনৈতিক স্বপ্নে বিভোর কতিপয় গণমাধ্যম কর্মী ঈর্ষান্বিত হয়ে অপসাংবাদিকতায় লিপ্ত হয়েছে যেন কলেজের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নস্যাৎ হয়। কালের কন্ঠের এই মিথ্যাচারে চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ সচেতন দেশবাসী হতবাক হয়েছেন। যেখানে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রী বা কলেজ কর্তৃপক্ষের কোন অভিযোগই নেই সেখানে আগবাড়িয়ে এমন কুৎসা রটনা কোন সুস্থ মস্তিকের কর্ম বলে মনে হয় না। বরং শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই এই মিথ্যাচার করা হচ্ছে। এটা সাংবাদিকতা নয় বরং সরকার ও ছাত্রলীগের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সরাসরি সহযোগিতা। এই ভিত্তিহীন কল্প রচনাকে ছাত্রসমাজ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
দৈনিক সেনবাগের কণ্ঠ/৩০ নভেম্বর ২০১৪